২/ডি, প্লট:-০৫, মিরপুর: ১১২, ঢাকা-১২১৬।
উদ্বোধনের তারিখ:- ১৫ রমাযান ১৪৪১ হিজরী।
১) মাওলানা রিযওয়ানুল হক, নিয়োগের তারিখ:- ১০ শাওয়াল ১৪৪১ হিজরী। যিম্মাদারীর সময়:- পূর্ণ সময়।
২) মাওলানা শাহাদাত সাকিব, নিয়োগের তারিখ:- ১০ মহাররম ১৪৪২ হিজরী। যিম্মাদারীর সময়:- পূর্ণ সময়।
৩) মাওলানা রাকিবুল ইসলাম, নিয়োগের তারিখ:- ১৫ রমাযান ১৪৪১ হিজরী। যিম্মাদারীর সময়:- পূর্ণ সময়।
মহিলা শাখা আছে কি না? থাকলে মহিলা শাখায় কয়টি শিফট হয় এবং শিক্ষিকা ও ছাত্রী সংখ্যা কত?
মহিলা শাখা আছে।
শিফট সংখ্যা মোট ৩টি।
শিক্ষিকা আছেন ৩ জন।
গড়ে ছাত্রী সংখ্যা ৮০-৯০%
উপশাখা আছে কি না? থাকলে কয়টি? শিক্ষক ও ছাত্র সংখ্যা কত? কয়টি শিফট হয়?
১টি উপশাখা আছে।
মসজিদ শাখা:- বায়তুস সালাহ জামে মসজিদ।
শিক্ষক সংখ্যা:- ২জন।
১ মাওলানা জাকারিয়া সাহেব। (ইমাম সাহেব, অত্র মসজিদ)
নিয়োগের তারিখ:- ৩ অক্টোবর ২০২০ ইং, যিম্মাদারীর সময়:- খন্ডকালীন।
২ মাওলানা মুহাম্মাদুল্লাহ সাহেব।
নিয়োগের তারিখ:- ১৭ মে ২০২৫ ইং, যিম্মাদারীর সময়:- পূর্ণ সময়।
ছাত্র সংখ্যা:- ২৫ জন।
মোট শিফট সংখ্যা:- ৪টি।
বর্তমানে পাঠদানের জন্য কোন কোন বই, কায়দা ও পুস্তিকার সহযোগিতা নেয়া হয়?
তাজবীদ সহ কায়দা (নিজেদের প্রস্তুতকৃত)
তামরীনসহ তাজবীদের বই (নিজেদের প্রস্তুতকৃত)
নিজেদের প্রস্তুতকৃত কোনো পুস্তিকা বা ক্লাসশীট আছে কি না? থাকলে কী কী?
কায়দা
১- তাজবীদসহ কায়দা
২- তামরীনসহ তাজবীদের বই (সংক্ষিপ্তাকারে মাখরাজ, সিফাত ও তাজবীদের বিবরন দিয়ে প্রস্তুতকৃত একটি শীট)
ঈমানিয়্যাত
১) বড়দের
২) ছোটদের
ইবাদাত
১) ওযু নামায (শিশুদের)
২) তহারাত (বড়দের)
৩) তহারাত (ছোটদের)
সালাত
সালাতের বিভিন্ন শিরোনামে ১-১২ নাম্বার পর্যন্ত সিরিজ। যেমন:- নামাযের ফরযসমূহ, নামাযের ওয়াজিব সমূহ, সুন্নত ও নফল নামায ইত্যাদি।
মুয়ামালাত
আদাবুল মুয়ামালাত (ক্রয়-বিক্রয়ের আদাব, ভাড়া চুক্তির আদাব, ঋণ দেয়া নেয়া ও হাদিয়ার আদাব।)
মাসায়েলুল মুয়ামালাত (ক্রয়-বিক্রয়ের মাসায়েল, ইজারা ও ভাড়া চুক্তির মাসায়েল)
আখলাক
আখলাক (বড়দের)
আখলাক (ছোটদের)
দৈনন্দিন জীবনের (আদাব)
দৈনন্দিন জীবনের আদাব (বড়দের)
মুয়াশারাত
মুয়াশারাত (বড়দের)
মুয়াশারাত (ছোটদের)
দোয়া
দোয়ার শীট (ছোটদের)
দোয়ার শীট (বড়দের)
সীরাত
মোট ১৫ সিরিজে নবীজীর পূর্ণাঙ্গ সীরাত প্রশ্নোত্তর আকারে তৈরির কাজ চলছে। তার মধ্যে ৭টি শীট সম্পাদনাসহ প্রস্তুত হয়েছে আর বাকিগুলো লেখা শেষ। সম্পাদনার কাজ চলছে।
মৌসুমী শীট
কুরবানীর মাসায়েল (বড়দের)
কুরবানীর মাসায়েল (ছোটদের)
রোযার মাসায়েল
যাকাতের মাসায়েল
হিজরী সন ও মুহাররম মাস
অন্যান্য:-
১. বর্তমানে শিক্ষার্থী সংখ্যা (ছোট, বড় আলাদা আলাদা)
বড় শিক্ষার্থী:- ১৪৭ জন।
ছোট শিক্ষার্থী:- ৪৩ জন।
২. দৈনিক কয়টি শিফটে ক্লাস হয়?
দৈনিক মোট ৪টি শিফটে ক্লাস হয়ে থাকে। (পূরবী মার্কেটের ব্যবসায়ী, কর্মচারীদের জন্য রাত ১১:১৫ মিনিট থেকে ১১:৪৫ মিনিট পর্যন্ত একটি বিশেষ শিফট রয়েছে)
৩. কুরআন মাজীদ পড়ছে এমন শিক্ষার্থী সংখ্যা (ছোটো, বড় আলাদা আলাদা)
বড় শিক্ষার্থী:- ৯৪ জন।
ছোট শিক্ষার্থী:- ২৪ জন।
৪. শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার।
শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার:- ৯০- ১০০%
৫. পরীক্ষার ইন্তেজাম আছে কি না? থাকলে বছরে কয়টি পরীক্ষা হয়? কী পদ্ধতিতে হয়? তার সংক্ষিপ্ত বিবরণ।
পরীক্ষার ইন্তেজাম আছে। বছরে সাধারনত একটি পরিক্ষা হয়।
কুরআনুল কারীম এর কয়েকটা গ্রæপ করা হয়। যেমন:- ক) যারা সবল, খ) যারা দূর্বল , গ) ছোটদের।
কায়দা: ক) (বড়রা) যারা জযম থেকে শেষ পর্যন্ত। খ) শুরু থেকে জযমের আগ পর্যন্ত।এমনিভাবে ছোটদের ও গ্রæপ তৈরি করা হয়। প্রয়োজনে গ্রæপ কম বেশি করা হয়। বষয়সমূহ যেমন:- তিলাওয়াত, তাজবীদ, দোয়া, আদব, মাসায়েল, আকায়েদ, সীরাত, পরিক্ষায় ১ম, ২য়, ৩য় স্থান যারা পান তাদের পুরষ্কার দেয়া হয়।
৬. দ্বীনি মাহফিল/ অভিভাবক সম্মেলন/ শিশু-কিশোর মাহফিল ইত্যাদি আছে কি না? থাকলে তার সংক্ষিপ্ত বিবরণ।
বছরে বড় পরিসরে ৩/৪ টি দ্বীনী মাহফিলের আয়োজন করা হয়ে থাকে। যেখানে সাধারনত ৩০০/৪০০ মানুষ উপস্থিত হয়। নিয়মিত ছাত্রদের পুরষ্কার প্রদানের পাশাপাশি আলোচনা, অনুভ‚তি, কুইজ ইত্যাদি আয়োজন থাকে এ মাহফিলে। তাছাড়া কখনো মৌসূম ভিত্তিক আলোচনা অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়ে থাকে।
৭. ভর্তি ফি, মাসিক প্রদেয় ধার্য আছে কি না? থাকলে পরিমাণ কত? শিক্ষার্থীদের প্রদেয় আদায়ের হার কেমন?
ভর্তি ফি: ৫০০ (ফরম সহ)
মাসিক প্রদেয় ধার্য: পুরুষ শাখা: ৭০০ টাকা, মহিলা শাখা: ৬০০ টাকা।
শিক্ষার্থীদের প্রদেয় আদায়ের হার:- ৫০-৬০%।
৮. তালীমুদ্দীন একাডেমি কেন্দ্রীয় কার্যালয় / প্রধান দপ্তর শীগ্রই তার কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গ রূপে আরম্ভকরতে যাচ্ছে ইনশাআল্লাহ! কেন্দ্রের কাছে আপনি / শাখা কি কি ধরনের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন? পয়েন্ট আকারে বিস্তারিত লিখুন।
১) তালীমুদ্দীন একাডেমিতে শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগের পূর্বে ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করা। পাশাপাশি বছরে অন্তত একবার শিক্ষক ওয়ার্কশপের ব্যবস্থা থাকা।
২) অন্তত তিন মাস অন্তর অন্তর কেন্দ্রের পক্ষ থেকে শাখা ভিজিটের ব্যবস্থা থাকা।
৩) কেন্দ্রের প্রতিনিধি কর্তৃক শাখাগুলো ভিজিট করার পরে পড়াশোনা, পরিচ্ছন্নতা, সুন্দর নেজাম ইত্যাদির উপরে ক, খ, গ ক্যাটাগরিতে শাখা গুলোকে মূল্যায়ন করা। ৬ মাস অন্তর অন্তর ক্যাটাগরি পুনর্বিবেচনা করে নতুন ভাবে মূল্যায়ন করা। কারণ পুনর্ম‚ল্যায়ন খুব বেশি সময় নিলে সেক্ষেত্রে যারা খ কিংবা গ ক্যাটাগরিতে থাকবে তাদের মধ্যে হীনমন্যতা এবং নিরাশ ভাব কাজ করতে পারে। অপরদিকে যারা ক ক্যাটাগরিতে থাকবে তাদের মধ্যে অলসতা আসতে পারে। আর পুনর্ম‚ল্যায়ন ছয় মাসের মধ্যে হলে সেক্ষেত্রে তুলনামূলক নিচের ক্যাটাগরিতে যারা থাকবে তারা নিজেদেরকে আবার মজবুতির সাথে গড়ে উঠানোর চেষ্টা করবে। আর যারা ভালো তারাও অলস হয়ে পড়বে না বরং চিন্তা করবে এই মূল্যায়নটি স্বল্প সময়ের জন্য তাই এটি ধরে রাখার জন্য আমাদের মেহনত জারি রাখতে হবে।
৪) তালীমুদ্দীন একাডেমির বিভিন্ন শাখার শিক্ষক গ্রহণ যথাসময়ে ক্লাসে উপস্থিতি পাঠদান পদ্ধতি কোন ছুটি কাটানো ইত্যাদি ক্যাটাগরিতে কেন্দ্রীয় পক্ষ থেকে বাৎসরিক পুরস্কারে ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এতে শিক্ষকগণ আরো বেশি ভালো সার্ভিস প্রদানে উদ্যোগী হবে।
৫) কেন্দ্রীয়ভাবে মৌসুমী প্রতিযোগিতার আয়োজন করা। যেমন:- রমাযান, কোরবানী, সিরাতুন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইত্যাদি শিরোনামে।
৬) কেন্দ্রীয়ভাবে বিষয়ভিত্তিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা। যেমন:- কোরআন তেলাওয়াত, হাদীস মুখস্ত, দোয়া মুখস্থ ইত্যাদি।