প্রতিষ্ঠা প্রেক্ষাপট ও পরিচিতি
যোগ্য তত্ত্বাবধান • বিশ্বস্ত পরিচালনা • তালীমুদ্দীন একাডেমি
মানুষ আল্লাহর বান্দা। তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ মাখলুক। আল্লাহ তাআলা তাঁর এই সৃষ্টিকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন হেদায়েতের বাণী দিয়ে। তাকে দিয়েছেন জীবনচলার নির্দেশনা, যে নির্দেশনাতেই কেবল রয়েছে ইহ ও পরকালীন সুখ-শান্তি ও যাবতীয় কল্যাণের নিশ্চয়তা। সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ রাসূল হযরত মুহাম্মাদ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই ইসলামের বাণী রেখে গেছেন মানবজাতির জন্য।
মানব জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই রয়েছে ইসলামের পূর্ণাঙ্গ, যথার্থ ও চমৎকার দিকনির্দেশনা। যে নির্দেশনাগুলো মেনে চলা এবং সে অনুযায়ী নিজের ঈমান, ইবাদাত, মুআমালাত, মুআশারাত ও আখলাক পরিশুদ্ধ করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অপরিহার্য। এর জন্য অত্যাবশ্যক হল, ইসলামের সেই নির্দেশনাগুলোর সঠিক ও যথার্থ জ্ঞান অর্জন করা। সঙ্গত কারণেই দ্বীনের মৌলিক জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য ফরয।
আর সরাসরি বিজ্ঞ ওলামায়ে কেরামের কাছ থেকে দ্বীনের শিক্ষা অর্জনের কোনো বিকল্প নেই। কেননা দ্বীনের সঠিক ও যথার্থ জ্ঞানের অভাবে জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছোট-বড় অনেক ভুল-ত্রুটি থেকে যায়। একজন মুসলমানের এসব ভুল-ত্রুটি থেকে বেঁচে থাকাই কাম্য।
সর্বস্তরের মুসলমান কীভাবে প্রয়োজনীয় ও অপরিহার্য পরিমাণ দ্বীনী ইলম অর্জন করতে পারে-এ বিষয়ে দরদী ওলামায়ে কেরামের ফিকির ও মেহনত সর্বদা অব্যাহত ছিল এবং এখনও আছে। তবে প্রত্যেক মুসলমানের নিজ পেশা ও কাজের ফাঁকে বিজ্ঞ আলেম-ওলামার কাছ থেকে সহজেই দ্বীনের সঠিক জ্ঞান অর্জন করার লক্ষ্যে এ মেহনতকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া ছিল বর্তমান যুগ ও সমাজের এক অপরিহার্য দাবি।
সময়ের এ দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই বিগত জুমাদাল উলা ১৪৩৮ হিজরী, মোতাবেক ২০১৭ ঈসায়ী সালে শুরু হয় ‘তালীমুদ্দীন একাডেমি’-এর পথচলা।
আলহামদুলিল্লাহ, কুমিল্লা শহরে সফলভাবে কার্যক্রম শুরুর পর বর্তমানে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় তালীমুদ্দীন একাডেমির শাখা চালু হয়েছে। যেগুলো থেকে উপকৃত হচ্ছেন বিভিন্ন বয়স ও শ্রেণি-পেশার শত শত মুসলমান।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
- সকল মুসলমানকে সহীহ-শুদ্ধভাবে কুরআন মাজীদের তেলাওয়াত শেখানো।
- সর্বস্তরের মুসলিমকে জরুরিয়াতে দ্বীন তথা ফরয পরিমাণ ইলম শেখানো।
- ইসলামের মৌলিক ও বিশুদ্ধ আকীদা শেখানো।
- নামায, রোযা, হজ্ব ও যাকাতসহ জীবনঘনিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলির মৌলিক ও জরুরী মাসআলা-মাসায়েল শেখানো।
- ইসলামী মুআমালাত তথা লেনদেন, আয়-রোজগার, পারস্পরিক বিভিন্ন চুক্তিপত্রের বিধিবিধান শেখানো।
- মুআশারাত তথা পারিবারিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে ইসলামের ঐতিহাসিক আদর্শ ও নির্দেশনাবলি শেখানো।
- আখলাক তথা সৎ চরিত্র ও সভ্যতা অর্জনে ইসলামের হেদায়েতসমূহ শেখানো।
- সকল মুসলমানকে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ জীবনে সৎ ও নীতিবান হিসেবে গড়ে তোলা।
- ওলামায়ে কেরামের সাথে সাধারণ মুসলমানের আস্থাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলে পরস্পরের বন্ধন সুদৃঢ় করা।
- সকল মুসলমানকে দ্বীনী চিন্তা ও কর্মগত যেকোনো বিভ্রান্তি থেকে দূরে রাখা।
- শিশু-কিশোরদের মাঝে দ্বীনের সঠিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা এবং তাদের মাধ্যমে একটি আদর্শ মুসলিম প্রজন্ম তৈরি করা।
তত্ত্বাবধান ও পরিচালনা
যোগ্য তত্ত্বাবধান • বিশ্বস্ত পরিচালনা • তালীমুদ্দীন একাডেমি
তালীমুদ্দীন একাডেমি দেশ-বিদেশের বরেণ্য ওলামায়ে কেরামের কাছে স্বীকৃত গবেষণামূলক উচ্চতর ইসলামী শিক্ষা ও দাওয়াহ প্রতিষ্ঠান মারকাযুদ দাওয়াহ আলইসলামিয়া ঢাকা-এর
মুফতী আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ
প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক: মারকাযুদ দাওয়াহ আলইসলামিয়া ঢাকা।
সম্পাদক: মাসিক আল কাউসার
চেয়ারম্যান: তালীমুদ্দীন একাডেমি
মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল মালেক
শিক্ষা বিভাগীয় প্রধান: মারকাযুদ দাওয়াহ আলইসলামিয়া ঢাকা ।
তত্বাবধায়ক: মাসিক আল কাউসার
খতীব: জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররম ঢাকা।
যাদের জন্য এ প্রতিষ্ঠান
- জেনারেল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সম্মানিত শিক্ষকমণ্ডলী, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ, ব্যবসায়ী, অবসরপ্রাপ্ত ও বয়স্ক মুরুব্বিগণ।
- কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ।
- মেহনতি দিনমজুর ও সাধারণ শ্রমিকবৃন্দ।
- স্কুলগামী শিশু-কিশোর।
- মোটকথা এ প্রতিষ্ঠানটি বয়স ও পেশা নির্বিশেষে সর্বস্তরের মুসলিম নর-নারীর জন্য। যাদের কোনো দ্বীনী মাদরাসায় নিয়মতান্ত্রিক পড়াশোনা করে ইলমে দ্বীন অর্জন করার মত সময় ও সুযোগ নেই।
শাখা ও শিফট ব্যবস্থা
পৃথক শিক্ষাব্যবস্থা (পুরুষ ও মহিলা)
পুরুষ ও মহিলাদের জন্য সম্পূর্ণ পৃথক ও পরিপূর্ণ শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে, যাতে শালীনতা ও নিরাপদ পরিবেশের সঙ্গে দ্বীনী শিক্ষা গ্রহণ করা যায়।
পূর্ণ পরিপূর্ণ দ্বীনী শিক্ষা
আধুনিক পাঠপদ্ধতির সঙ্গে কুরআন, হাদিস ও মৌলিক দ্বীনী জ্ঞানের সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
নমনীয় শিফট ব্যবস্থা
শিক্ষার্থীদের সময় ও সুবিধার কথা বিবেচনা করে একাধিক শিফটে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হয়।